ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন----
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন----
-
ক
শায়েস্তা খান
-
খ
নওয়াব সলিমুল্লাহ
-
গ
মির্জা আহমেদ খান
-
ঘ
মির্জা গোলাম পীর
তারা মসজিদ পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না। জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা মসজিদ নির্মাণ করেন। মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
১৮ শতকে মির্জা আহমেদ জান ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ নির্মাণ করেন৷
তারা মসজিদঃ আর্মানিটোলা , ঢাকা
নির্মাণ:
মির্জা গোলাম পীর ( মির্জা আহমেদ জান) । (১৮ শতক)
সংস্কার:
আলী জান বেপারী ।( ১৯২৬ )
মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
মির্জা আহমেদ জান ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ নির্মাণ করেন। এটি ১৯ শতকের প্রথমদিকের নির্মিত মসজিদ। বাংলাদেশের আরমানটোলায় এই মসজিদ অবস্থিত।
মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) মসজিদ নির্মাণ করেন। মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর।
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর।
তারা মসজিদ
তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না। জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা গোলাম পীর এ মসজিদ নির্মাণ করেন। মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।
মোঘল স্থাপত্য শৈলীর প্রভাব রয়েছে এ মসজিদে। ঢাকার কসাইটুলীর মসজিদেও এ ধরনের বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। উল্লেখ্য, দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরের সতের শতকে নির্মিত স্থাপত্যকর্মের ছাপ পড়ে মোঘল স্থাপত্য শৈলীতে।
মির্জা গোলামের সময় মসজিদটি ছিল তিন গম্বুজঅলা, দৈর্ঘ্যে ৩৩ ফুট (১০.০৬ মিটার) আর প্রস্থে ১২ ফুট (৪.০৪ মিটার)। আলী জানের সংস্কারের সময়, ১৯২৬ সালে, মসজিদের পূর্ব দিকে একটি বারান্দা বাড়ানো হয়। ১৯৮৭ সালে তিন গম্বুজ থেকে পাঁচ গম্বুজ করা হয়। পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

Related Question
View All-
ক
খান জাহান আলী
-
খ
শায়েস্তা খান
-
গ
মীর্জা গোলাম পীর
-
ঘ
মীর জুমলা
-
ঙ
কোনটিই নয়
-
ক
শায়েস্তা খান
-
খ
নওয়াব সলিমুল্লাহ
-
গ
মির্জা আহমদ খান
-
ঘ
মির্জা গোলাম পীর
-
ক
১৭৮১ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
-
খ
১৭৬০ থেকে ১৮৪০ পর্যন্ত
-
গ
১৭৫৭ থেকে ১৮৫৭ পর্যন্ত
-
ঘ
১৭১৯ থেকে ১৮৬২ পর্যন্ত
-
ক
খান সাহেব আবুল হাসনাত
-
খ
মির্জা আহমেদ জান
-
গ
নওয়াব সলিমুল্লাহ
-
ঘ
শায়েস্তা খান
-
ক
শায়েস্তা খান
-
খ
মির্জা আহমদ জান
-
গ
নবাব সলিমুল্লাহ
-
ঘ
নবাব আবদুল লতিফ
-
ক
শায়েস্তা খান
-
খ
নবাব সলিমুল্লাহ
-
গ
মির্জা আহমেদ জান
-
ঘ
মির্জা গোলাম পীর
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন